বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক –

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

পদ্মা নদীর পানি গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৬ সেন্টিমিটার এবং পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যে কারণে জেলার নি¤œাঞ্চল হয়েছে প্লাবিত। তাই আজ শনিবার বিকালে জেলার বন্যা পরিস্থিতি সরেজমিনে গিয়ে তদারকি করছেন জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম।
জেলা প্রশাসক রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের নয়নসুখ গ্রাম ও আকিরুননেসা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বরাট ইউনিয়নের ২০৬ টি পরিবারের মধ্যে শুকনা খাবার বিতরণ করেন। শুকনা খাবারের প্রতিটি কার্টুনে রয়েছে ১০ কেজি চাল,১ কেজি ডাল, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি চিনি,২ কেজি চিড়া,১ লিটার সয়াবিন তেল এবং ৫০০ গ্রাম নুডুলস। বরাট ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণ শেষে তিনি অন্তারমোড় হতে গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা, দেবগ্রাম ও দৌলতদিয়া ইউনিয়নের বন্যা উপদ্রুত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
এ সময়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আশেক হাসান, রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাঈদুজ্জামান খান, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবায়েত হায়াত শিপলু, জেলা ত্রাণ ও পুনরর্বাসন কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল্লাহ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রফিকুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানসহ ট্যাগ অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাম্প্রতিক অতি বৃষ্টি ও নদী তে পানি বৃদ্ধির কারণে রাজবাড়ী সদর, পাংশা, কালুখালী ও গোয়ালন্দ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ইতোমধ্যে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের ২০৬ টি পানিবন্দি পরিবারের তালিকা করা হয়েছে এবং মিজানপুর ইউনিয়নসহ অন্যান্য উপজেলার পানিবন্দি পরিবারের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে।
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ইতোমধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। তথ্য সংগ্রহ ও ত্রাণ তৎপরতার জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন এবং ত্রাণ তৎপরতাসহ সার্বিক অবস্থা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করছেন।

(Visited 28 times, 1 visits today)