মৃত্যু পথযাত্রী পাংশার মতিয়ার বাঁচতে যায় –

মাসুদ রেজা শিশির, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম : 

জীবন জীবনের জন্য মানুষ মানুষের জন্য কথাটি তখনই বান্তবে রূপ নেয় যখন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই কোন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। “হার্ডের ভাল্ব নষ্ট, এই সত্যকে আঁকড়ে ধরে মতিয়ার রহমানের বেঁচে থাকার স্বপ্ন।
মতিয়ার রহমান রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নের স্বর্ণগাড়া গ্রামের কাজিয়াল পাড়ায় তার বাড়ি। টাকা জোগাড় হলে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের, অধ্যাপক ডাঃ মেজর (অব) এম কামরুল ইসলাম’র অধীনে তার চিকিৎসা দেওয়া হবে। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন মাত্র ২ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা। কিন্তু তার অসহায় গরীব পরিবারের পক্ষে এতো টাকা যোগার করা সম্ভব নয়। অধ্যাপক ডাঃ মেজর (অব) কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন দ্রুত চিকিৎসা করানো গেলে এই রোগী হয়তো আগের মতো স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে পারে। চিকিৎসার খরচের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন অসহায় এতিম গরিবদের জন্য সর্বনিম্ন এই ধরনের রোগীর যে খরচ নিয়ে থাকি। তার জন্য সেটাই নিধারণ করেছি। ছোটবেলা থেকেই কষ্টের কাতারে নিজেকে স্থান করে নেওয়া এই মতিয়ার জীবন চলার পথে অনেক দূর্গম পথকে জয় করে একটি অটোভ্যান চালিয়ে স্ত্রী এবং দুই কন্যা সন্তান নিয়ে সুখ শান্তিতে বসবাস করে আসছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস গত ১বছর আগে (হার্ট বাল্ব নষ্ট) নামক এক মরণ ব্যাধি তার জীবনের সমস্ত স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছে। মতিয়ার এখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ ,ভাই বন্ধু প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় জীবন যুদ্ধে লড়াই করেই যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু এই রোগে আক্রান্ত “মতিয়ার রহমান” এ পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ দিশেহারা সবার কাছে সহযোগিতার হাত পাতছেন, তার ছোট্ট দু’দুটি কন্যা সন্তান ও তার স্ত্রীর জন্য। তার ক্ষুদ্র আয়ে পরিবারের দু’বেলা অন্ন যোগানোরও ব্যাবস্থাও দ্রুহ। এমন পরিস্থিতিতে তার চিকিৎসা ব্যয় বহন করাও তার নিজের পক্ষে সম্ভব নয়। এই অসহায় মানুষটি তার স্ত্রী-সন্তানদের জন্য বাঁচতে চান! হয়তো কোন সহযোগিতা না পেলে টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় মরে যাবে জেনেও তার স্ত্রী-সন্তানরা বসবাস করার জন্য কিছু একটা করে দিতে চান। অন্যথায়, তার পরিবারের সহায় সম্বল কিছুই থাকবে না। আপনার একটু আর্থিক সহযোগিতায় বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি প্রাণ, বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারকে! একটু দয়া করুন এই অসহায় মানুষটির জীবন বাঁচাতে আমরা সবাই এড়িয়ে আসি । যার যার অবস্থান থেকে, সর্বস্তরের মানুষ সহ, সকল শিক্ষার্থী-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সমাজের সকল পেশাজীবী-কর্মজীবী, অনলাইন এক্টিভিস্ট, সাংবাদিক, খেলোয়াড়, ব্যবসায়ী, বিত্তবান-ধনী, প্রবাসী, রাজনীতিবিদসহ সবার কাছে সর্বাধিক দোয়া ও সামর্থ অনুযায়ী সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবার । মতিয়ারের বৃদ্ধ হত দরিদ্র পিতার মাতার পক্ষে কোনোভাবেই ছেলেটির চিকিৎসা করা সম্ভব না। ছেলেটির বাবা মায়ের চোখের পানিও শুকিয়ে গেছে অসুস্থ ছেলের জন্য কাঁদতে কাঁদতে। ছেলেটির দিকে তারা তাকাতে পারছেন না। অসুস্থ ছেলেটিকে পাশে নিয়ে অঝোরে কান্না করতে থাকে। কারণ তাদের সামনেই মারা যাচ্ছে তাদের সন্তান মতিয়ার। একজন বৃদ্ধ পিতা মাতার কাছে এর থেকে কষ্টের আর কি হতে পারে। নিজের সন্তানকে নিজের চোখে মরতে দেখছে। কিন্তু নিজেদের সন্তানকে বাঁচানোর মতো কোন সামর্থ্য নেই অসহায় বাবা-মার। সবার কাছে সাহায্য চান এই অসহায় পরিবারটি। আপনার সার্মথ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়াবেন দয়া করে, এই সদকায়ে জারিয়া কাল হাশরের দিনে আপনার-আমার নাজাতের অছিলা হতে পারে। সাহায্য পাঠাতে, রোগীর ভাই ০১৮২৫৪০৪০০৪ বিকাশ, রোগী মতিয়ার রহমান ০১৭৫২৫৯৭২৯৩ বিকাশ।

(Visited 44 times, 1 visits today)