বাঁচতে চায় স্কুল ছাত্র সাব্বির –

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম : আপনার সহযোগিতায় বেঁচে যেতে পারে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার গোহাইলবাড়ী গ্রামের বাবা মোঃ ফখরুল ইসলাম ও মাতা সুমাইয়া পারভীনের একমাত্র পুত্র সাব্বির। সাব্বির বালিয়াকান্দি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থী। সৃষ্টিকর্তার চাওয়া, আপনার দেওয়া ১০ টাকায় সুস্থ্যতা ফিরে পেতে পারে সাব্বির।
সহপাঠীদের সাথে হেসে খেলে বেড়ানো সাব্বিরের শরীরে এ প্লাস্টিক অ্যানিমিয়া রোগ ধরা পড়েছে। দেশের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানোর পর ভারতের ভেলরের চিকিৎসক রিক্কি ও ঠাকুরপুকুর ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক পার্থ গুপ্ত বলেছেন সাব্বিরের বনমেরু ট্রান্সপ্লান্টেশন করার জন্য। এর জন্য প্রয়োজন ৩০-৩৫ লাখ টাকার।
বাবা সামান্য ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও মা গৃহিনী। সংসারের সর্বস্ব খুইয়ে ছেলেকে সুস্থ্য করতে ভারতে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। অর্থাভাবে ছেলের চিকিৎসা না করেই দেশে ফিরে আসেন। এখন ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সাব্বির। সবকিছু হারিয়ে অসহায় পিতা-মাতার চোঁখের সামনে ছেলের মৃত্যু দেখা ছাড়া আর যেন কিছুই করার নেই তাদের। প্রতি ২০ দিন অন্তর সাব্বিরের শরীরে বি+ রক্ত দিতে হচ্ছে। প্রতিদিন হাজার টাকার ঔষধ তো আছেই।
মাত্র ১০ টাকার এত প্রয়োজন কেন সাব্বিরের ! যা স্পষ্ট করে বলতে গেলে ১৬ কোটি মানুষের দেশে ৪ লাখ মানুষ ১০ টাকা করে পাঠালে সাব্বিরের চিকিৎসার জন্য ৪০ লাখ টাকা যোগান হওয়া সম্ভব। এই টাকার যোগান পেতেই সাব্বিরের পরিবার আপনার ১০ টাকার দিকে তাকিয়ে আছে, সুস্থ্যতার প্রতিক্ষায় আছে শিশু সাব্বিরও। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন দ্রুত বনমেরু ট্রান্সপ্লান্টেশন না করালে বড় কোন দুঃসংবাদ হয়ত অপেক্ষা করছে সাব্বিরের পরিবারের জন্য।
সাব্বিরের মা সুমাইয়া পারভীন জানান, সাব্বিরের হেসে খেলে দিন ভালই কাটছিল। হঠাৎ একদিন মাথা ঘুরে পড়ে যায়। ডাক্তারের কাছে নেওয়ার পর ডাক্তার জানান রক্ত স্বল্পতা। পরবর্তীতে ঢাকার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জানান সাব্বির এ প্লাস্টিক অ্যানিমিয়া রোগে আক্রান্ত। পরে ভারতের ভেলরের চিকিৎসক রিক্কি ও ঠাকুরপুকুর ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক পার্থ গুপ্ত বলেছেন সাব্বিরের বনমেরু ট্রান্সপ্লান্টেশন করার জন্য। এর জন্য প্রয়োজন ৩০-৩৫ লাখ টাকার মত। এত টাকা পাব কোথায়। ওর বাবা ছোট খাটো একটি ব্যবসা করে। যা দিয়ে কোনমতে চলে সংসার। প্রতিদিন ঔষধের পাশাপাশি ২০ দিন অন্তর সাব্বিরকে রক্ত দিতে হচ্ছে। চোখের সামনে টাকার অভাবে আমার সন্তান এভাবে……….। সবার সহযোগিতা ভালবাসায় আমার সাব্বির সুস্থ্য হয়ে ফিরে আসুক আমার বুকে। এই ১৬ কোটি মানবিক মানুষের মাঝে আমার সাব্বিরের জন্য ৩ লাখ মানুষ কি ১০টি করে টাকা দিতে পারবে না ?
বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ ফারুক হোসেন সাবির সম্পর্কে জানান, এ প্লাস্টিক অ্যানিমিয়া রোগে আক্রান্ত অর্থ্যাৎ এই রোগের ফলে শরীরের রক্ত উৎপাদন ক্ষমতা থাকে না, ফলে ধীরে ধীরে রক্ত শূণ্যতা দেখা দেয়। এই চিকিৎসা আমাদের দেশে বা দেশের বাইরেও রয়েছে। শরীরের বনমেরু থাকে সেটি ট্রান্সপ্লান্টেশন করালে শরীরে রক্ত উৎপাদন ক্ষমতা পায়। যে চিকিৎসা করাতে প্রচুর টাকার প্রয়োজন। এই চিকিৎসায় ৩০-৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়ে থাকে। আমরা এখন ওকে যে চিকিৎসা দিচ্ছি তা হলো প্রতি ২০ দিন অন্তর রক্ত দেওয়া, মুলত বাচিয়ে রাখার জন্যই এই প্রচেষ্টা। রক্ত না দিলে তো ও মারাই যাবে !
প্রত্যেকের সামর্থ অনুযায়ী আমরা যা পারি না সাব্বিরের জন্য একটু ভালবাসা। হ্যাঁ শুধু একটু ভালবাসা। ৩-৪ লাখ হৃদয়বান মানুষ ১০ টাকা করে বিকাশ করলেই সাব্বিরের চিকিৎসার টাকার যোগান হয়ে যাবে।
সাব্বিরের জন্য সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা: ফকরুল ইসলাম, কারেন্ট একাউন্ট নং: ১৫৬৪, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, রাজবাড়ী শাখা। সোনালী ব্যাংক, বালিয়াকান্দি শাখা, রাজবাড়ী হিসাব নং- ২২০২০০১০১২৬৬৪। বিকাশ নম্বর: ০১৯৮৪-৪০৫৯৫০, ০১৯৮৪৪০৫৯৫০ ৬ ডাচ বাংলা মোবাইল একাউন্ট। মা- ০১৯২১ ৪৫৪৪৯৪, বাবা- ০১৯৮৪ ৪০৫৯৫০।

(Visited 95 times, 1 visits today)