১৮ জুন নির্বাচন : কালুখালীতে নৌকা নিয়ে লড়তে চান কাজী সাইফুল –

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

রাজবাড়ী জেলার দুটি সংসদীয় আসনে উপজেলা রয়েছে ৫টি। ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৫টি উপজেলার ৪টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও বাঁকী রয়েছে ২০১০ সালে গঠিত হওয়া কালুখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ৫ম ধাপে ১৮ জুন কালুখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারন করা হয়েছে বলে জানাগেছে। এ উপজেলাটি ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এবং এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে ২য় বারের মত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উপজেলাটিতে।
উপজেলার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান কাজী সাইফুল ইসলাম। যিনি ক্ষমতাশীন দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কালুখালী উপজেলার শাখার সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য। এবারের নির্বাচনেউ তিনি আওয়ামীলীগের মনোনিত নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে চান।
কাজী সাইফুল ইসলাম এর জীবনী সুত্রে জানাযায়, তিনি কালুখালী উপজেলার মাঝবাড়ী ইউনিয়নের মাঝবাড়ী গ্রামের কাজী নুরুল ইসলামের ছেলে। ১৯৭১ সালের ২ জুন তিনি জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা ছিল মুজিব বাহিনীর সদস্য এবং তাদের বাড়ীতে ছিল মুজিব বাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প। শিক্ষাগত দিক দিয়ে তার বিএসএস পাশের যোগ্যতা রয়েছে। রাজনৈতিক জীবনে তিনি একজন সফল রাজনীতিবীদ। ছাত্রজীবন থেকে তিনি আওয়ামী রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০০৪ সালে সাবেক বৃহত্তর পাংশা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাহিত্য ও সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করেন এবং ২০০৭ সালে জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভূক্তি হন। এছাড়া ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের উপজেলা কাউন্সিলের আগ পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-আহবায়ক দ্বায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৫ সালের অক্টোবরে দলীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির দ্বায়িত্ব পান। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জাতীয় নির্বাচনসহ সকল নির্বাচনে দলের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। রাজনৈতিক জীবনে ২০০১ সালের পর চার দলীয় জোটের হামলা-মামলা, জেল, নির্যাতন উপেক্ষা করে দলকে শক্তিশালী রাখতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। এর মধ্যে ২০০৩ ও ২০১১ সালে মাঝবাড়ী ইউপি নির্বাচনে অংশ নিয়ে দুই দুই বার তিনি ওই ইউপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন সাধারণ জনগণের জন্য। সবশেষ ২০১৪ সালের মে মাসে কালুখালীর প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামীলীগের দলীয় সমর্থিত প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে দল এবং সাধারন মানুষের প্রতিনিধি হয়ে কাজ করে চলছে।
ইউপি চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে তিনি রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজ-মাদরাসা ও বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ এলাকার আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখাসহ ১ টি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। পড়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার তিনি স্থানীয় সাংসদ মোঃ জিল্লুল হাকিমের সহযোগিতায় উপজেলার উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ শুরু করেন। ইতিমধ্যে ৩টি উচ্চ বিদ্যালয়, ১টি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। শিক্ষার মান উন্নয়নে নতুন নতুন অফিস স্থাপন, নতুন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র নির্মাণ, থানা ভবন নির্মানের জমির ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়নে প্রদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করেছেন। নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি, নারীর কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে উদ্ভাবনী প্রকল্প গ্রহন করেছেন। সরকার ঘোষিত সমস্ত কর্মসূচি যথাযথ ভাবে পালন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে নিরলস ভাবে কাজ করছেন। উপজেলার প্রধান মোড় চাঁদপুর বাসষ্ট্যান্ডে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করে বঙ্গবন্ধুর চত্তর গড়ে তুলেছেন এবং সেখানেই বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার নির্মান করেছেন। এছাড়া বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব প্রতিবন্ধী স্কুল নির্মানের কাজ শুরু করেছেন।

(Visited 766 times, 1 visits today)