রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন- সেরা চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী সাইফুল ইসলাম –

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

রাজবাড়ী জেলাধীন কালুখালী উপজেলা পরিষদের সফল চেয়ারম্যান কাজী সাইফুল ইসলাম। তিনি কালুখালী উপজেলার মাজবাড়ী ইউনিয়নের মাজবাড়ী গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম কাজী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কাজী নুরুল ইসলাম, মাতা মৃত আতিয়া বেগম। শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএসএস পাশ। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর কালুখালী উপজেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এবং রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য হিসেবে আছেন। তিনি ২০০৪ সালে গঠিত সাবেক বৃহত্তর পাংশা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাহিত্য ও সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ২০০৭ সাল হতে জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য এবং ১৯৯৬ সাল হতে প্রত্যেকটি জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগ দলের সক্রীয় অংশগ্রহণ। ২০০১ সালের পর ৪ দলীয় জোট সরকার কর্তৃক মামলা, জেল ও বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার ও নির্যাতিত দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগী করে দল গোছালো রাখতে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করেছেন। ২০০৩ ও ২০১১ সালে তিনি আওয়ামীলীগের মনোনয়নে বিপুল ভোটে ২ বার মাজবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত ও ২০১৪ সালে কালুখালী উপজেলার প্রথম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে সর্বস্তরের জনগণের পাশে থেকে বর্তমান জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে উপজেলার ব্যপক উন্ননের সহযোগীতা করে চলেছেন। ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর মাজবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান থাকাকালীন রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন সহ এলাকার আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। ঐ সময় এলাকায় ১টি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। দুই দুই বার নির্বাচিত মাজবাড়ী ইউনিয়নের সফল চেয়ারম্যান কালুখালী উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ দলীয় সমর্থনে বিপুল ভোটে নতুন এই উপজেলার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর অবহেলিত এই উপজেলা গঠনে এবং উন্নয়নে রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এর সহযোগীতায় ব্যপক কর্মযজ্ঞ শুরু করেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি কালুখালী উপজেলা একটি আধুনিক উপজেলায় রুপান্তরিত করেন। ইতিমধ্যে তিনি উপজেলার অবহেলিত এলাকা সমূহে ৩টি উচ্চ বিদ্যালয়, ১ টি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে অবকাঠামো উন্নয়ন সহ শিক্ষার মান গুণগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখেন। দ্রুত সময়ে নতুন নতুন অফিস আদালত স্থাপনের কাজে নানাভাবে সাহায্য সহযোগীতা করে চলেছেন। বিশেষ করে নতুন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মান, থানা ভবন নির্মানের জমি ব্যবস্থা এবং সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস স্থাপন দ্রুত বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এলাকার রাস্তা পাকাকরনের মাধ্যমে উন্নত যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন। নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি স্থানীয় নানান বিরোধ মিমাংশা সহ সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। নারীদের কর্মসংস্থান এর জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষন ও বিভিন্ন উপকরনের মাধ্যমে সহযোগীতা বরেছেন এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের পথ তৈরী করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারদের প্রতিষ্ঠাকল্পে কাজ চলমান রয়েছে। সামাজিক প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়নে কাজ করেছেন এবং সরকার ঘোষিত সকল কর্মসূচী যথাযথ ভাবে পালন করে চলেছেন। সর্বপরি তিনি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে নিরলশ পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তিনি উপজেলার দ্বারপ্রান্তে চাঁদপুর বাসষ্ট্যান্ড মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষ্কর্য নির্মান করে বঙ্গবন্ধু চত্বর গড়ে তুলেছেন এবং এখানেই তিনি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগাড় নির্মাণ করেছেন। দলীয় সমস্ত কর্মসূচীতে ব্যপক ভূমিকা সহ দল গঠনে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দল থেকে অনেক নেতাকর্মীকে আওয়ামীলীগে যোগদান করিয়ে এলাকায় আওয়ামীলীগকে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন।

তার পিতামহ ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রীয় অংশগ্রহণ করেন এবং তিনি মুজিব বাহিনীর সদস্য ছিলেন। তাদের বাড়ীতে মুজিব বাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প ছিলো। তাদের পরিবারের প্রত্যেক ভাই আওয়ামীলীগ সহ সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে আওয়ামীলীগের দলকে শক্তিশালী করতে ও ন্যায় নিষ্ঠার সাথে পরিচালনা করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মানুষের ভালোবাসা ও জনগণের সাহায্য সহযোগীতার মাধ্যমে বেচে থাকতে চাই। সর্বপরি তিনি আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের প্রতি আস্থা রেখে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যপারে শতভাগ আশাবাদী। সেই সাথে গতবারের নির্বাচন থেকে এবারও বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের সেবা ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান।

(Visited 1,406 times, 1 visits today)