হাবাসপুর-বাহাদুরপুর বেড়িবাঁধে অবৈধ বালুর স্তুপ রাখায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে – মোহাম্মদ আবু হেনা

মাসুদ রেজা শিশির/এস,কে পাল, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

হাবাসপুর-বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মানুষের কথা চিন্তা করে সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। সড়কটি ১২ ফুট থেকে সম্প্রসারণ করে ১৮ ফুট করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সড়কটির বেহাল দশা হয়েছে। তার একটাই কারণ পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন করা। এ এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখের কথা চিন্তা করে নদীর পাড় ঠেকাতে ৬০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। বেড়িবাঁধে সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু আমি দেখছি বেড়িবাঁধের পাশ দিয়ে পাহাড়ের মত করে বালির স্তুপ রাখা হয়েছে। কারা করছে এই অবৈধ বালু ব্যবসা। কারা দিয়েছে লাইসেন্স, কারা দিয়েছে পারমিশন। কতিপয় কিছু ব্যক্তি নিজের স্বার্থের কারণে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করছে। যা ভবিষ্যতে এ এলাকার মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ হবে। আমি তীব্র দৃষ্টি দিয়ে দেখতে পাচ্ছি অল্প কিছু মানুষের সুবিধার জন্য এ এলাকার মানুষ আবার পেছনে ফিরে যাবে। যা মোটেও ভাল হবে না। এ বিষয়ে আমি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সুদৃষ্টি কামনা করছি। পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে সরকারের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হবে। আপনারা যারা এ কাজে জড়িত আছেন আমি তাদেরকে বলছি আপনারা নিজের স্বার্থের জন্য মানুষের ক্ষতি করবেন না।
গতকাল সোমবার ড. কাজী মোতাহার হোসেন কলেজ চত্ত্বরে জাতীয় অধ্যাপক, জ্ঞানতাপস, প্রগতিশীল চিন্তাবীদ,খ্যাতিমান দাবাড়–,জাতীয় অধ্যাপক মহামানষী অধ্যাপক ড. কাজী মোতাহার হোসেন এর ১২১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবু হেনা এসব কথা বলেন। এ সময় রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক মোঃ শওকত আলী’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সাবেক মহাপরিচালক ও কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ড. এম,এ মাজেদ, পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি বিপিএম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেবেকা খান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফকীর আব্দুল জব্বার, পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদ হাসান ওদুদ, পাংশা পৌর মেয়র আব্দুল আল-মাসুদ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব, ড. কাজী মোতাহার হোসেন কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল আজিজ প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) মোঃ ফজলুল করিম, অফিসার ইনচার্জ মোঃ আহসান উল্লাহ, হাবাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম মন্ডল প্রমুখ।

(Visited 856 times, 1 visits today)