রাজবাড়ীতে শিক্ষিকার লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার নিয়ে চম্পট দিলো ভন্ড হুজুর –

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

 

নার্সারীতে পড়ুয়া শিশু অরন্য সেখকে নিয়ে রাজবাড়ী বাজারে যান সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের সূর্যনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সামসুন নাহার। ওই বাজারের পান বাজারের প্রবেশ মুখে ওই শিক্ষিকাকে সালাম দেন অপরিচিত এক হুজুর। এর পরই নানা কৌশলে ওই কথিত হুজুর প্রকাশ্য শিক্ষিকার হাতে থাকা সোনার বালা, আঙ্গুলে থাকা ২টি সোনার আংটি, ১টি ঘড়ি ও একটি মোবাইল ফোন হাতিয়ে চম্পট দেন। ওই ঘটনার পর গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজবাড়ী থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন।
গতকাল সকালে ওই শিক্ষক বলেন, গত রবিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি রাজবাড়ীর পান বাজারে যান। সেখান থেকে বাসায় ফেরার প্রক্কালে মধ্য বয়স্ক একজন হুজুর তাকে দেখে সালাম দেন। তিনি অপরিচিত লোক হওয়ায় সালামের উত্তর না নিয়ে চলে যাবার চেষ্টা করে। সে সময় জনৈক এক যুবক তার কাছে এসে বলে হুজুর খুব ফরেজগার ও কামেল ব্যক্তি। তার মত লোক আপনাকে সালম দিয়েছে আর আপনী সে সালামের উত্তর পর্যন্ত নিলের না। আপনী আসুন হুজুর আপনার সাথে হয়তো আপনার কোন বিপদ-আপদ নিয়ে কথা বলেন। সে সময় তিনি হুজুরের কাছে যান এবং যে যুবক তাকে নিয়ে গেছে ওই যুবক কথিত হজুরকে নগদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন। সে সময় ওই হুজুর বলেন, তোর কাজ হয়েছে, তুই উপকার পেয়েসিছ এটাই আমার শান্তি। আমি ওই টাকা নেব না, তুই মসজিদে দিয়ে দে। এভাবে তিনি দাঁড়িয়ে থাকা কালিন বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ওই কথিত হুজুরের উপকার পেয়ে টাকা দিতে আসে এবং ওই হুজুর তাদের টাকা না নিয়ে ফিরিয়ে দেন। ওই বিষয় গুলো ঘটার এক পর্যায়ে কথিত ওই হুজুর বলে তোর এটা এক মাত্র সন্তান। অথচ তার অনেক বিপদ। তুই তোর শরীরে থাকা সকল প্রকার গহনা খুলে আমার কাছে দে এবং দশ কদও যাওয়ার পর একটা পাথর পাবি, তুই ওই পাথর নিয়ে আয় আমি সব বিপদ ঠিক করে দিচ্ছি। তিনি (শিক্ষিকা) সরল বিশ^াসে ওই হুজুরের কাছে লক্ষাধিক টাকা মূল্যে সোনার অলংকার খুলে রেখে ওই পাথর আনতে যান এবং পাথর না পেয়ে তিনি ফিরে আসেন। তবে ফিরে এসে দেখেন হুজুর অথবা তার ওই সব মুরিদানরা সেখানে নেই। ওই সময়ই তিনি প্রতারিত হবার বিষয়টি টের পান এবং সেখানে কান্নাকাটি করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে শান্তনা দিয়ে বাড়ী পাঠিয়ে দেন।
রাজবাড়ী থানার ডিউটি অফিসার রিক্তা আক্তার জানান, ওই শিক্ষিকার অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে।
রাজবাড়ীর সূর্যনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককের
লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার নিয়ে চম্পট দিলো ভন্ড হুজুর

স্টাফ রিপোর্টার ঃ নার্সারীতে পড়–য়া শিশু অরন্য সেখকে নিয়ে রাজবাড়ী বাজারে যান সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের সূর্যনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সামসুন নাহার। ওই বাজারের পান বাজারের প্রবেশ মুখে ওই শিক্ষিকাকে সালাম দেন অপরিচিত এক হুজুর। এর পরই নানা কৌশলে ওই কথিত হুজুর প্রকাশ্য শিক্ষিকার হাতে থাকা সোনার বালা, আঙ্গুলে থাকা ২টি সোনার আংটি, ১টি ঘড়ি ও একটি মোবাইল ফোন হাতিয়ে চম্পট দেন। ওই ঘটনার পর গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজবাড়ী থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন।
গতকাল সকালে ওই শিক্ষক বলেন, গত রবিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি রাজবাড়ীর পান বাজারে যান। সেখান থেকে বাসায় ফেরার প্রক্কালে মধ্য বয়স্ক একজন হুজুর তাকে দেখে সালাম দেন। তিনি অপরিচিত লোক হওয়ায় সালামের উত্তর না নিয়ে চলে যাবার চেষ্টা করে। সে সময় জনৈক এক যুবক তার কাছে এসে বলে হুজুর খুব ফরেজগার ও কামেল ব্যক্তি। তার মত লোক আপনাকে সালম দিয়েছে আর আপনী সে সালামের উত্তর পর্যন্ত নিলের না। আপনী আসুন হুজুর আপনার সাথে হয়তো আপনার কোন বিপদ-আপদ নিয়ে কথা বলেন। সে সময় তিনি হুজুরের কাছে যান এবং যে যুবক তাকে নিয়ে গেছে ওই যুবক কথিত হজুরকে নগদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন। সে সময় ওই হুজুর বলেন, তোর কাজ হয়েছে, তুই উপকার পেয়েসিছ এটাই আমার শান্তি। আমি ওই টাকা নেব না, তুই মসজিদে দিয়ে দে। এভাবে তিনি দাঁড়িয়ে থাকা কালিন বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ওই কথিত হুজুরের উপকার পেয়ে টাকা দিতে আসে এবং ওই হুজুর তাদের টাকা না নিয়ে ফিরিয়ে দেন। ওই বিষয় গুলো ঘটার এক পর্যায়ে কথিত ওই হুজুর বলে তোর এটা এক মাত্র সন্তান। অথচ তার অনেক বিপদ। তুই তোর শরীরে থাকা সকল প্রকার গহনা খুলে আমার কাছে দে এবং দশ কদও যাওয়ার পর একটা পাথর পাবি, তুই ওই পাথর নিয়ে আয় আমি সব বিপদ ঠিক করে দিচ্ছি। তিনি (শিক্ষিকা) সরল বিশ^াসে ওই হুজুরের কাছে লক্ষাধিক টাকা মূল্যে সোনার অলংকার খুলে রেখে ওই পাথর আনতে যান এবং পাথর না পেয়ে তিনি ফিরে আসেন। তবে ফিরে এসে দেখেন হুজুর অথবা তার ওই সব মুরিদানরা সেখানে নেই। ওই সময়ই তিনি প্রতারিত হবার বিষয়টি টের পান এবং সেখানে কান্নাকাটি করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে শান্তনা দিয়ে বাড়ী পাঠিয়ে দেন।
রাজবাড়ী থানার ডিউটি অফিসার রিক্তা আক্তার জানান, ওই শিক্ষিকার অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে।

(Visited 532 times, 1 visits today)