রাজবাড়ীতে দিনব্যাপী সাহিত্য ও সংস্কৃতি উৎসবের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত –

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

রুবেলুর/ইমরান ঃ “উন্নয়নে কেকেএস” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজবাড়ীতে বেসরকারী এনজিও সংগঠন দিনব্যাপী কেকেএস সাহিত্য ও সংস্কৃতি উৎসবের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার বিকাল ৬টার দিকে রাজবাড়ী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে কর্মচারী কল্যান সংস্থা (কেকেএস) ও পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এ সাহিত্য ও সংস্কৃতি উৎসবের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে কেকেএস এর নির্বাহী পরিচালক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আব্দুল জব্বার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী ১ আসনের এমপি কাজী কেরামত আলী।
প্রভাষক শামীমা আক্তার মুনমুন এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেবেকা খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিব খান, প্রাক্তন অধ্যক্ষ এটিএম রফিক উদ্দিন, জেলা শিক্ষা অফিসার সৈয়দ সিদ্দিকুর রহমান, রাজবাড়ী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেলা রানী দাস প্রমূখ। দিনব্যাপী এ উৎসবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী উৎসবে বিতর্ক (সনাতনী), গল্প বলা, মুখোশ তৈরি, অভিধান থেকে শব্দ বের করা (বাংলা), যেমন খুশি তেমন সাজো, বাগধারা দেিয় বাক্য গঠন, গান (দেশাত্ববোধক, ছড়া, নজরুল, রবীন্দ্র, পল্লী গীতি/ বাউল গান, শুদ্ধ ভাবে দলীয় জাতীয় সংগীত), চিত্রাঙ্গণ, ছড়া লিখন, দেয়াল পত্রিকা, আবৃত্তি, কুইজ, বর্ণ তৈরি, শব্দ দিয়ে অনুচ্ছেদ, সুন্দর হাতের লেখা, রুবিকস কিউব প্রতিযোগীতা, নৃত্য ও একক অভিনয় এ বিষয় গুলোতে জেলা শহরের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী এমপি বলেছেন, পড়াশুনার পাশাপশি সংস্কৃতি প্রয়োজন আর এমন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শরীর মন দুটিই ভাল থাকে। তাই এ ধরনের সংস্কৃতি উৎসব বেশি বেশি প্রয়োজন। দেশের প্রথম স্যাটালাইট উৎক্ষেপণ সহ সব কিছুর মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে শেখ হাসিনা। গতকাল হয়ে যাওয়া খুলনা সিটি নির্বাচনই প্রমান করে আওয়ামীলীগের জনপ্রিয়তা। কিন্তু বিএনপি এ নিয়ে মিথ্যাচার করছে।
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৪টি ডিভিশনে মহিলা পলিটেনিক আছে আরো ৪টি ডিভিশনে পলিটেকনিক করা হবে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে কারিগরি শিক্ষার হার ৪০ শতাংশে উন্নিত করা হবে। যার জন্য বর্তমান সরকার প্রধান শেখ হাসিনা কাজ করছেন। আমাদের দেশে কারিগরি শিক্ষার হার মাত্র ১৪ শতাংশ। তবে উদ্দ্যোগ নেওয়া হয়েছে প্রথম পর্যায়ে সরকারী স্কুল গুলোতে কারিগরি শিক্ষা চালুর। আর এ কারিগরি শিক্ষার মান বাড়াতে দেশে ২২টি পলিটেকনিক তৈরি করা হবে। যার ডিপিবি হয়ে গেছে এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই রাজবাড়ীতে একটি পলিটেকনিক করা হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে কর্মমূখী শিক্ষার প্রয়োজন। উন্নত দেশ গুলো কর্মমূখী শিক্ষায় এগিয়ে বলেই তারা উন্নত রাষ্ট্র। কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি মাদরাসা শিক্ষাকেউ যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।

(Visited 81 times, 1 visits today)