পাংশায় বোরো ধানে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা –

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

চারিদিকে যেন সবুজের সমারহ। মাঠে মাঠে ধান গাছের সবুজ পাতা ও সদ্য বেড় হওয়া ধানের শীষ বাতাসে দোল খাচ্ছে। আবহওয়া অনুকুলে থাকায় বোরো ধানে বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখেছে কৃষকেরা। ধানের রোগ-বালাই দমনে বিভিন্ন প্রকার কিটনাশকও ব্যবহার করছেন তারা। ধান ঘরে তোলার আগ পর্যন্ত প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন পাবে বলে আশা করছে রাজবাড়ীর পাংশার কৃষকেরা। বোরো ধান ঘরে তুলতে এখনও এক থেকে দেড় মাস বাকী। ধান ক্ষেতে প্রয়োজনীয় পানি,সার,কীটনাশক ও নিয়মিত পরিচর্যা করছেন তারা। চলতি মৌসুমে বোরো আবাদে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা থাকলেও বড় বাধা হয়ে দাড়াতে পারে প্রকৃতিক দূর্যোগ। বিশেষ করে কাল বৈশাখী ঝড়ের তান্ডব।
কৃষক সিরাজুল ইসলাম জানায়, এবার ৮ পাকি জমিতে বোরো আবাদ করেছি। আশা করছি ধানে বাম্পার ফলন পাবো। তবে খুবই দুচিন্তায় আছি প্রাকৃতিক দূর্যোগ নিয়ে। কখন যেন কাল বৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে ধান ক্ষেত নষ্ট হয়ে যায়।
কৃষকেরা জানায়, জমি চাষ থেকে শুরু করে বীজ, সার ,কীটনাশক,সেচ ,দিন মজুর ও ফসল উত্তলনের সময় বিঘা প্রতি খরচ হয় পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘা ফসলি জমি থেকে উৎপাদিত ধান পেয়ে থাকেন বিশ থেকে পচিশ মন। এখন প্রতি মন ধানের বাজার মূল্য পান সারে সাতশত টাকা থেকে আটশত টাকা সেই হিসেবে বিঘা প্রতি আঠার হাজার টাকা থেকে বিশ হাজার টাকা ধান বিক্রি করতে পারেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার জানায়, এবছর পাংশায় বোরো আবাদের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে ১৭শত ১০ হেক্টর । গত বছর আবাদ হয়েছিল ১৫শত ০৪ হেক্টর। বোর আবাদে কৃষকদের লাইনে রোপন, লাইন লোগো, ও পারছিংসহ রোগ-বালাই দমন বিষয়ে নানা পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে । প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে এবছর বোরো আবাদে বাম্পার ফলন হবে।

(Visited 51 times, 1 visits today)