গোয়ালন্দ উন্নয়ন মেলায় স্কুল শিক্ষার্থীদের পছন্দ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সংরক্ষিত জাদুঘর –

শফিকুল ইসলাম শামীম, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

গোয়ালন্দ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত তিন দিন ব্যাপী চলছে উন্নয়ন মেলা। মেলায় ৩৪টি বিভিন্ন প্রকার স্টল রয়েছে। তবে উন্নয়ন মেলায় বিভিন্ন স্কুল শিক্ষার্থীদের পছন্দের জায়গা করে নিয়েছে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলা কাশিমা গ্রামে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি উদ্দ্যগে “মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সংরক্ষিত জাদুঘর”।
স্টলে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষিত বিভিন্ন প্রকার ছবি। জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদদের ছবি। এবং মুক্তি যুদ্ধের উপর লেখা একাধিক বই। বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা স্টলে এসে মনোযোগ সহকারে মুক্তিযুদ্ধের উপর রাজবাড়ী স্মৃতি গুলো দেখছেন। এবং বই গুলো সংগ্রহ করছেন।
এসময় একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, গোয়ালন্দ উন্নয়ন মেলায় এসে মুক্তিযুদ্ধের উপর অনেক স্মৃতি জানতে পারলাম। জানতে পারলাম উপজেলার কাশিমা গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা গিয়াসপুরী নামে এক ব্যক্তি ব্যক্তি উদ্দ্যেগে “মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সংরক্ষিত জাদুঘর” তৈরি করেছে। এই মেলায় না আসলে জানতে পারতাম না উপজেলায় গ্রামের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত “মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সংরক্ষিত জাদুঘর” এর কথা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, সরকারের উচিত গোয়ালন্দ “মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সংরক্ষিত জাদুঘর”টি উন্নয়ন করে স্মৃতিগুলো সংরক্ষিত করা। শুধু রাজবাড়ীর জেলার জন্য নয় দেশের বিভিন্ন জেলার নতুন প্রজম্মরা যেন এই “মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সংরক্ষিত জাদুঘরে” এসে ১৯৭১ সালের অনেক কিছু জানতে পারে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহজাহান বলেন, গোয়ালন্দে ব্যক্তি উদ্দ্যেগে “মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সংরক্ষিত জাদুঘর”টি তৈরি হয়েছে। এখানে এসে তরুন প্রজম্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইহিহাস জানতে পারে। একজন মুক্তযোদ্ধা হিসেবে দাবি করছি এই “মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সংরক্ষিত জাদুঘর”টি উন্নয়নে সরকারে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
“মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সংরক্ষিত জাদুঘর” প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা গিয়াসপুরী জানান, আমার জীবনের চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। নিজের জীবন বাজী রেখে ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধে পাক সেনাদের উপর ঝাপিয়ে পরে ছিলাম। দেশ স্বাধীন করেছি। কিন্ত দুঃখের বিষয় হলো দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার পরিবারের সকলের হত্যার পর দীর্ঘ বছর স্বাধীনতা বিরোধীরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলেন। দেশে প্রতিটি জেলায় “মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সংরক্ষিত জাদুঘর” তৈরি হলে আগামী প্রজম্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে। এব্যাপারে সকলের এগিয়ে আসা উচিত।

(Visited 55 times, 1 visits today)