রাজবাড়ীতে এসএসসি’র ফরম পূরনে অতিরিক্ত ফি গ্রহণ, সংবাদ ঠেকাতে উৎকোচ-

রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

 

রাজবাড়ী সদর উপজেলার চন্দনী ইউনিয়নের বাবুপুর কছিমউদ্দিন বিদ্যাপীঠের ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরনে অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থ ফেরত ও স্কুল কর্তৃপক্ষের শ্বাস্তির দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এদিকে, ওই রিপোর্ট না করার জন্য ওই বিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা কর্তৃক জেলা শহরের এক ঝাক হলুদ ব্যক্তিকে উৎকোচ প্রদানের খবরও পাওয়া গেছে। আর উৎকোচ প্রদানের বিষয়টি ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করে বলে অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে।

সোমবার সকাল ১১টার দিকে চন্দনী বাবপুর বিকেবি ছাত্র কল্যান সংস্থার আয়োজনে রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর স্মারকলিপি পেশ করনে বিদাপীঠের ছাত্র, অভিভাবক ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মানববন্ধনের উপস্থিত ছিলেন, চন্দনী বাবপুর বিকেবি ছাত্র কল্যান সংস্থার সভাপতি মোঃ মোফাজ্জেল হোসেন, সাধারন সম্পাদক মোঃ মিলন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলামসহ বিদাপীঠের ছাত্র, অভিভাবক ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
জানাগেছে, ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরনে বোর্ডের নির্ধারিত ফি কয়েক গুন বেশি অর্থ নিয়েছে বাবুপুর কছিমউদ্দিন বিদ্যাপীঠের কর্তৃপক্ষ। ১ হাজার ৭০৫ টাকা থেকে ২ হাজার ৯০০ টাকা নেবার অভিযোগ রয়েছে এবং ফরম পূরনের ওই সব শিক্ষার্থীদের কাউকে কাউকে রশিদ দেওয়া হলে তাতে লেখা হয়েছে ১৭০৫ টাকা। এবার ওই বিদ্যাপীঠ থেকে ৮৬জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করবে।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেছে, তাদের কাছ থেকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরনের নির্ধারিত ফি অনেক বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে কিন্তু রশিদ বইতে লেখা হয়েছে ১ হাজার ৭০৫ টাকা। তারা তাদের অতিরিক্ত টাকা ফেরত চায় এবং এর সাথে জরিত স্কুল কর্তৃপক্ষের শ্বাস্তির দাবী জানিয়েছে।
চন্দনী বাবপুর বিকেবি ছাত্র কল্যান সংস্থার সভাপতি মোঃ মোফাজ্জেল হোসেন জানান, বর্তমান সময়ে ফরম পূরনের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নিচ্ছে অনেক স্কুলের শিক্ষকরা। কিন্তু এটি দেখার কেউ নাই। তিনি যতটুকু জানেন বাবুপুর কছিমউদ্দিন বিদ্যাপীঠের প্রায় সব পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ফরম পূরনের নামে কয়েকগুন অর্থ নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ কিন্তু তার সংগঠনের মাধ্যমে যতগুলো শিক্ষার্থীর টাকা দিয়েছেন তাতে ১ হাজার ৭০৫ থেকে ১ হাজার ৭৯০ টাকা পর্যন্ত নিয়েছে। যে সকল শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে তাদের অর্থ ফেরত দেওয়াসহ এর সাথে জরিত স্কুল কর্তৃপক্ষের শ্বাস্তির দাবী জানান।
এ বিষয়ে বাবুপুর কছিমউদ্দিন বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষককে একাধিক বার তার মুঠোফোনে ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিল করেন নাই।

(Visited 55 times, 1 visits today)