বালিয়াকান্দিতে কোঁচো কম্পোষ্ট সার ব্যবহার করে কপি চাষীরা লাভবান –

রুহুল আমিন বুলু, রাজবাড়ী বার্তা ডট কম :

bk-02
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলাতে কেচো কম্পোষ্ট সার ব্যবহার করে কপি চাষে লাভবান হয়েছে কৃষকরা। তবে অধিক পরিমান রাসায়নিক সার ব্যবহার করে অনেক কৃষক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। এখন কোঁচো কম্পোষ্ট সার ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে।
জানাগেছে, উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের দিলালপুর, জামালপুর ইউনিয়নের নটাপাড়া এলাকায় ব্যাপক পরিমান কপির চাষ হয়। অনেক কৃষক কোঁচো কম্পোষ্ট সার ব্যবহার করে ভালো ফলন পেয়েছে। এদের এ সাফল্যের কারণে কৃষকদের মাঝে কোঁচো কম্পোষ্ট সারের চাহিদা বাড়ছে।
জামালপুর ইউনিয়নের নটাপাড়া গ্রামের কালিদাস বৈরাগী জানান, তার ৫একর জমিতে আগাম কপি চাষ করে নষ্ট হয়ে যায়। এ কথা জানানোর পর তার ২ একর জমিতে জৈব কোঁচো কম্পোষ্ট সার ব্যবহার করার পরামর্শ পেয়ে তিনি পল্লী বন্ধু কৃষি সংযোগ নের্টওয়ার্ক থেকে সার সংগ্রহ করে চাষ করেন। এখন সে লাভবান হচ্ছে বলেন জানান।
স্বপন, রঞ্জন বৈরাগী, বিধান জানান, তারা কপি চাষে লোকসান হওয়ার কারণে অন্যান্যের দেখে কোঁচো কম্পোষ্ট সার ব্যবহার করে এবার লাভবান হবেন। ফলন ভালো হয়েছে।
দিলালপুরের অচিন্ত কুমার মোদক জানান, তার ৩০শতাংশ জমিতে ফুল কপির আগাম চাষ করেন। কেচো কম্পোষ্ট সার ব্যবহার করে চাষাবাদ করেন আগাম ফুল কপি চাষ। প্রতি বিঘা জমিতে তার খরচ হয়েছে ১৭-১৮ হাজার টাকা। বর্তমান বাজার মুল্যে এ ক্ষেতের উৎপাদিত কপি বিক্রি করে ৩০ থেকে ৩৬ হাজার টাকা বিক্রি হবে। এ বছর কেচো কম্পোষ্ট সার ব্যবহার করায় ফুল কপির বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে আগাম বাজারে কপি বিক্রি করতে পারছেন।
পল্লী বন্ধু কৃষি সংযোগের পরিচালক রুহুল আমিন জানান, তিনি প্রায় ১বছর ধরে আড়কান্দি, চরগুয়াদাহ, দিলালপুর গ্রামে কেচো কম্পোষ্ট সার উৎপাদন করছেন। দিন দিন এ সারের চাহিদা কৃষকদের মাঝে বাড়ছে। এতে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার সাখাওয়াত হোসেন জানান, চলতি বছর বালিয়াকান্দি উপজেলার দিলালপুর ও নটাপাড়া এলাকায় আগাম ফুল কপি ও পাতা কপির চাষ হয়েছে। অনেকেই কেচো কম্পোষ্ট সার ব্যবহার করে বাম্পার ফলন হয়েছে।

(Visited 46 times, 1 visits today)